আব্দুল আজিজ: মহেশখালী প্রতিনিধি

কক্সবাজার জেলার মহেশখালী উপজেলার সাধারণ মানুষের পাশে থেকে তাদের দুর্বিসহ জীবন মানে সাহায্য করার জন্য কক্সবাজার জেলা প্রশাসক জনাব কামাল হোসেন এর দৃষ্টি আকর্ষণ করে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম ফেসবুকে আবেদন করেন জেলা যুবলীগ নেতা জাফর আলম। তিনি লিখেন-

জেলা প্রশাসক মহোদয়ের দৃষ্টি আকর্ষন।
মহেশখালীতে দুর্বিষহ জীবন কাটানো মানুষের সাহাযার্থ্যে এগিয়ে আসুন।

বিশ্ব আজ এক ক্রান্তিকাল অতিক্রম করছে।বিশ্বের সব দেশের ৭৭০ কোটি জনগোষ্টি মানুষ করোনা মহামারির ছোবলে কম বেশী আক্রান্ত।
বাংলাদেশেও আক্রান্তের সংখ্যা দিন দিন বেড়েই চলেছে। ইনশাল্লাহ সরকার আর প্রশাসনের আন্তরিক অক্লান্ত প্রচেষ্টার কারনে আমরা মোটামোটি এখনো স্বস্তিতে আছি।
করোনা মহামারি অন্যান্য দেশে বছরের শুরুতে বা তার আগে দেখা দিলেও বাংলাদেশে এর প্রাদুর্ভাব দেখা দিয়েছে মার্চ মাসে।
সে মার্চ থেকে শুরু হয় দেশে অঘোষিত লক ডাউন। তখন থেকেই দেশে ব্যবসা বানিজ্যে মন্দা ভাব দেখা দিয়েছে।

জেলা প্রশাসক মহোদয়,
আপনি নিশ্চয়ই অবগত মহেশখালীর সাধারণ মানুষের জীবন জীবিকা নির্বাহের একমাত্র অবলম্বন চিংড়ি চাষ লবণ উৎপাদন,পান বরজ।
বর্তমান লবন আর পানের মৌসুম।কিন্তু লবন নিয়ে গভীর ষড়যন্ত্রের কারনে লবনের দাম ও ক্রেতা কোনটাই নেই।
লবন ও পানের বরজের কাজে নিয়োজিত দেড় দুই লাখ মানুষ বর্তমানে কর্মহীন। ফলে
লবন ও পান চাষে জড়িত পাঁচ ইউনিয়নের কয়েক লক্ষাধিক পরিবার চরম কষ্টে জীবন যাপন করছে। তাছাড়া করোনা মহামারি লকডাউন নিয়ে শত শত সাধারন পরিবারে চরম অভাব অনটন চলছে।
দেশের উন্নয়নের স্বার্থে মহেশখালীর পাঁচ ইউনিয়নের বাসিন্দা তাদের পৈতৃক ভিটা-জায়গা দিয়ে মহানুভবতার বিরল দৃষ্টান্ত স্হাপন করেছেন।

করোনা এ মহামারির সময়ে বিগত দেড় মাসে জেলা উপজেলা নগর বন্দরের মানুষ সরকারী বেসরকারী ভাবে আর্থিক সাহায্য সহযোগী পেলেও চোখে দেখলেও মহেশখালীর মানুষ এখনো পায়নি।

তবে মহেশখালীতে সরকারী ভাবে যে
যশসামান্য ত্রান বা সাহায্য সহযোগীতা দেয়া হয়েছে তা খুব নগন্য।তবে বেশির ভাগ সাধারন মানুষ তা থেকে বঞ্চিত।

সাধারণ মানুষের অভিযোগ,মহেশখালীতে যে ত্রান বা সাহায্য এসেছে বলে শুনা যাচ্ছে তা বেশির ভাগ জনপ্রিতিনিধি তাদের নিকট আত্মীয় ও পরিচিত জনদের মধ্যে ভাগ বাটোয়ারা করে দিয়েছেন।

মান্যবর জেলা প্রশাসক
আপনি অবগত,দেশবাসি অবগত আছেন দেশের উন্নয়নের জন্য দ্বীপ উপজেলা মহেশখালীর মানুষ বিশাল ত্যাগ স্বীকার করেছেন।
মহোদয়ের নিকট এটা আবেদন,প্রতিটি ইউনিয়নে সুনির্দিষ্ট তালিকা সহকারে দ্রুত পর্যাপ্ত ত্রাণ বিতরণ করা অতীব জরুরী।

আর মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর সিদ্ধান্ত মোতাবেক যেন সব ত্রাণ সেনাবাহিনী অথবা নৌবাহিনীর সমন্বয়ের মাধ্যমে বিতরণ করা হয়।

সংবাদটি সম্পর্কে আপনার মন্তব্য

Please enter your comment!
আপনার নাম লিখুন